রমজানপুরকে গ্রামীণ অবকাঠামো বিনির্মাণে গোলাপ

স্টার বাংলা নিউজ:  প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী, বাংলাদেশের প্রাচীনতম দল, যে দলের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে সেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের দপ্তর সম্পাদক। তবে এই সব পরিচয় ছাপিয়ে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি গরীব-দুঃখি মানুষের কাছে একজন আদর্শ মানুষ। দেশের জনগণের দুঃখ লাঘবের প্রয়াসে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। দলের ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সৌহর্দ্যপূর্ণ আচরণের মধ্য দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার দেয়া দায়িত্ব নিরলসভাবে পালন করছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপ শুধু একটি নাম নয়। তিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। রাজনীতিতে মেধা ও শিক্ষার যোগসূত্র ঘটিয়ে রাজনীতিকে নুতন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আদর্শের সৈনিক হিসেবে জনগণের কাতারে থেকে জনগণের রাজনীতি করছেন। নির্লোভ, নিরহঙ্কারী ও সাধারণ জীবন যাপনে অভস্ত হওয়ায় দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ সব সময় তাকে নিজেদের একজন ভাবেন। তার কাছে যাওয়ার ক্ষেত্রে নেই কোন বাধার প্রাচীর। সাধারণ মানুষের যে কোন সমস্যাই ভাবিয়ে তুলে এই রাজনীতিককে।  এই গ্রামীণ অবকাঠামো বিনির্মাণে ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপভাবনা থেকেই গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন জনকল্যান মূলক শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন  সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। তিনি নতুন বার্তাকে বলেন, এ সকল প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার একমাত্র অবদান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামীণ অবকাঠামো বিনির্মানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতাই মাদারীপুরের কালকিনির রমজানপুরের বর্তমানের এই উন্নয়ন। আদর্শ ভিত্তিক রাজনীতিক ও শিক্ষা অনুরাগী ড. আবদুস সোবহান গোলাপের নিরলস প্রচেষ্টায় মাদারীপুরের এক সময়ের দুর্গম এলাকা ওই অঞ্চলের মানুষের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য-প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক সেবা সাধারণ মানুষের দৌরগোড়ায় পৌছে দিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান।
গ্রামীণ অবকাঠামো বিনির্মাণে ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষে আনারননেছা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট্ ইনস্টিটিউটের স্কুল শাখায় অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের ড্রেস ফ্রিসহ বিনা বেতন ও ভর্তি ফি ছাড়াই অধ্যায়নের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। কলেজ শাখায় ১২০ জন শিক্ষার্থীদের বোর্ড  ফি, ভর্তি ও বেতন ফ্রি করা হয়েছে। কলেজের দ্বাদশ শাখায় ৭১ জন শিক্ষার্থীদেরও বোর্ড  ফি, ভর্তি ও বেতন ফ্রি করা হয়েছে।
ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপ পলিটেকনিক্যাল  ইনস্টিটিউটে ৬০ জন শিক্ষার্থী বোর্ড  ফি, ভর্তি ও বেতন  ছাড়া অধ্যায়ন করছে।
এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবধরনের ব্যয় নিজের অর্থায়নে পরিচালনা করে আসছেন এই শিক্ষানুরাগি ও সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপ। এই বিষয়ে এ,বি, এম শাহজাহান অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সদস্য সচিব গ্রামীণ অবকাঠামো বিনির্মাণে ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপআনারননেছা  স্কুল এন্ড বি এম ইনস্টিটিটিউট আরও জানান, “২০১৫ সালে  আনারননেছা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিটিউট স্থাপিত হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি একটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।  এই প্রতিষ্ঠানটি অজপাড়াগায়ে স্থাপিত হওয়ায় গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা সহজেই বাড়ীর পান্তা খেয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবে এটাই সকলের আশা। এ প্রতিষ্ঠানে স্কুল শাখায় এস.এস.সি ভোকেশনাল ৩টি ট্রেডে চালু আছে। কম্পিউটার, জেনারেল ইলেকট্রিক ওয়ার্কস ও ট্রেড মেকিং। এর ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা অনায়াসেই কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীর হতে পারবে। এখানে আরও আছে এইচ.এস.সি (বি,এস) শাখায় কম্পিউটার অপারেশন, হিসাব রক্ষণ, ব্যাংকিং ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়। এইচ ,এস ,সি (বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট) ট্রেডে ১ম বর্ষ বোর্ড সামাপনী পরীক্ষায় ৭১জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছে। তাদের অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী মেধাবী।  কলেজ পরিচালনা কমিটি কলেজটি উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট উৎসাহী এবং তৎপর। পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কলেজ প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর আব্দুস সোবহান গোলাপ।তিনি একজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব। তার দক্ষতা অসীম। তিনি গরীবের বন্ধু।  আনারননেছা টেকনিক্যল স্কুল এন্ড বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট ইনস্টিটিউটে রয়েছে সুদক্ষ প্রভাষক-শিক্ষক ও অত্যাধুনিক ১০০টি কম্পিউটার। ডক্টর আব্দুস সোবহান গোলপের আশা এ অঞ্চল হবে একটি উপ-শহর এবং শিক্ষিত এলাকা।”

এদিকে তথ্যপ্রযুক্তি, জ্ঞান–বিজ্ঞানে বিশ্ব তীব্র গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতা চলছে এক দেশের সাথে আরেক দেশের। এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চল কালকিনির রমজানপুরে উন্নতমানের শিক্ষা ব্যবস্থার সুযোগ গড়ে উঠছে। যেই গামের কিছুদিন আগেও সন্ধার পর রাস্তায় মানুষ পাওয়াযেত না, নিশ্চিত ভাবে পিছিয়ে থাকা এই গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি গড়ে উঠছে হাসপাতাল, ব্যাংকসহ প্রায় ১৯টি প্রতিষ্ঠান।  এই প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার বিশেষ সহকারী আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।

কালকিনির রমজানপুর গ্রামটি অজপাড়াগা বলতে এখনো দ্বিধাবুধ করে না গ্রামের মানুষ। তবুও এগিয়ে চলছে গামটি। তবে আব্দুস সোবহান আশাকরছেন কিছুদিনের মধ্যেই দেশের একমাত্র মডেল গ্রাম হিসেবে পরিচিতি লাভকরবে রমজানপুর।

গ্রামটিতে সরেজমিনে গিয়ে নিতুন চিত্র চোখে ফোটে উঠে।

গামের পঞ্চাশোর্ধ ব্যাংকার বলেন,“এক আমাদের কি দুর্ভাগ্য, উন্নতমানের শিক্ষা তো দূরে থাক আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাটাই ভঙ্গুর ছিল, এলাকার পুরো চিত্রই ছিল হতাশাজনক। তবে এখানকার শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান চিত্র দেখে আশাবাদি হওয়াটা সাভাবিক।এই গ্রামের আমূল সংস্কারের কারনে গ্রামের ছেলেমেয়েরা সম্ভব সঠিক জায়গায় পৌছাচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেকনিক্যাল ক্ষেত্রে গ্রামের প্রত্যেকটি ছেলে মেযেকে উন্নত বিশ্বের সাথে প্রতিযোগীতায় টিকিয়ে রাখতে আব্দুস সোবহান গোলাপ তার মায়ের নামে গ্রামটিতে গড়ে তুলেছেন আনারননেছা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউট। পাশাপাশি একই বাউন্ডারিতে রয়েছে নিজের নামে ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।

শিশু বয়স থেকে ছাত্রছাত্রীদে;র মেধাবী হিসেবে গড়ে তুলার জন্য বাবার নামে গড়ে তুলা আলহাজ্ব তৈয়ব আলী শিশুকল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সরকারী করেছেন তিনি। গড়ে তুলেছেন উত্তর রমজানপুর মর্ডান একাডেমি (জুনিয়র)।

চলতি বছরের জাতীয় প্রাথমিক বৃত্তিতে সারা দেশে প্রথমসহ মাদারীপূর জেলায় দ্বিতীয়েশ্রেনী পর‌্যায়ে মাদারিপূরে মাত্র পাচটি বৃত্তি আসলেওআলহাজ্ব তৈয়ব আলী শিশুকল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পেয়েছে চারটি। যা মাদারীপূর জেলায় অনন্য।

শিশু থেকে শুরু করে গ্রামের যুব সমাজের প্রত্যেকের তথ্যপ্রযুক্তিগত জ্ঞন ছড়িয়ে দিতে কাজ করেযাচ্ছেন তিনি। স্কুল কলেজের পাশাপশি গড়ে তুলেছেন শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব। যেখানে প্রতিটি মোট একশত আশি জন স্বল্প মূল্যে প্রশিক্ষন নিচ্ছে।

এর বাইরে চাকরী প্রত্যাসী, বিশ্ববিধ্যালয়ে ভর্তির আবেদন ফরম পূরণ, পাসপোর্টসহ সকল ধরণের ইন্টার্নেট সুবিধা দিতে রমজানপুরের এইসকল প্রতিষ্ঠানের পাশেই সরকারী ভাবে ইশান ডিজিটাল ল্যাব করেছেন আব্দুস সোবহান গোলাপ।

গ্রামের সুবিধা বঞ্চিত প্রত্যেকটি মানুষের জীবন সংগ্রাম সহজ করতে এই ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি তিনি গড়ে তুলেছেন ঢাক বিভাগের ই-পোষ্ট অফিস, সাবরেজিষ্ট্রার অফিস, কৃষি ব্যাংকের শাখা, ইভান ইন্টর্নেট সার্ভিস টাওয়ার।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষিত স্বনামধন্য লোকদের আনাগোনা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানের পাশেই গড়ে তুলেছেন ইসলামিক মিশন হাসপাতাল। যা ৫০ শয়্যা বিশিষ্ট ইসলামিক মিশন হাসপাতাল কমপ্লেক্সে রুপান্তর হচ্ছে, ইতোমধ্যে নির্মান কাজ শুরু হয়েগেছে।

স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন ইন্সটিটিউটের ছাত্র শিক্ষকতের আবাসিক সুবিধা দিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশেই গড়ে তুলেছেন শিক্ষকদের জন্য আবাসিক ভবন ও শিক্ষার্থীদের জন্য মোহাম্মদ হোসেন মাস্টার ছাত্রাবাস।

এর বাইরে গুলশান আরা নার্সিং ইন্সটিটিউট, অনিশা মেডিকিল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল, কবির উদ্দিন আহম্মেদ হেলথ টেকনোলজি সরকারের পক্ষ থেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ডক্টর আব্দুস সোবহান গোলাপ।

প্রতিষ্ঠনগুলোর প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার বিশেষ সহকারী আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপের কাছে প্রতিষ্ঠনগুলো গড়ে তুলার লক্ষ ও উদ্দেশ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই গ্রামে জন্মগ্রহন করেছি। গ্রামের প্রতি আমার অনেক দায়বদ্ধতা আছে। গ্রামের প্রত্যেকটি মানুষ ভালো থাকলে আমার মনে শান্তি পায়।”

তিনি বলেন, “শহরের মতো অনেক সেবা ও সুযোগ-সুবিধা থেকে যাতে করে রমজানপুরের কোন শিক্ষার্থী বঞ্চিত না হয় এর জন্য আমি কাজ করে যাচ্ছি।

ডিজিটাল শিক্ষা সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা অর্জনের অনেকের মধ্যে অনাগ্রহ থাকলেও গ্রাম পর‌্যায়ে তা ছড়িয়ে দেওয়ায় আগ্রহ বাড়ছে। তাতে করে কারিগরি শিক্ষার প্রতি ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহ বাড়ছে।”

রাজনীতির মধ্যে থেকে নিজেকে সমাজ সেবায় নিযুক্ত রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুস সোবহান গোলাপ বলেন,“আমি রাজনীতি করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে বিশেষ সহকারী বানিয়েছেন। আমার নিজের চেয়ে এখন সুবিধা বঞ্চিত অজপাড়া গায়ের এই মানুষদের জন্য কিছু করতে পারলে ভালো লাগে। এখনই সময় গ্রামের মানুষের জন্য কিছু করার। তবে গ্রামের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি তার মানে এই যে আমি তাদের কাছে নিজে এমপি মন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। হাঁ আমি গ্রামের মানুষের কাছ থেকে প্রচুর ভালবাসা পাই, গ্রামটা দেশের ৬৪ হাজার গ্রামের মধ্যে অনন্য গাম হবে এটাই চাই।

এছাড়াও ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের তথ্য আদান-প্রদানের সুবিধার্থে একই স্থানে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে  ডিজিটাল সেন্টার হাতের নাগালে স্বাস্থ্য সেবা পেতে তৈরি করেছেন একটি হাসপাতালও এছাড়াও প্রতিষ্ঠিত করেছেন, ইসলামীক মিশন, ইসলামীক ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, ম্যাটস, গুলশান আরা নাসিং ইনস্টিটিটিউট ও কবির উদ্দিন আহম্মেদ ইঞ্জিনিয়ারিং অফ হেলথ টেকনোলজি এবং পাঠাগার। কৃষি ক্ষেত্রের অগ্রগতির উদ্দেশ্যে একটি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের শাখা স্থাপন করা হয়েছে রমজানপুর বাজারে ।
বর্তমানে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে রমজানপুরসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা, স্বাস্থ, ব্যবসায়-বানিজ্য, তথ্য-প্রযুক্তি বিস্তারের কাজ করার স্বপ্নই তার দু’ চোখ জুড়ে। এই এই স্বপ্ন বাস্তবায়নকেই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য করে এগিয়ে যাচ্ছেন ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপ।