ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৪৬টি মামলা

স্টার বাংলা নিউজ: রাজধানীর ডেমরায় অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। ডেমরা থানা ও রামপুরা ট্রাফিক জোনের টিআই বিপ্লব ভৌমিকের সার্বিক সহযোগিতায় বুধবার ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন বিআরটিএর (আদালত ০৭) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন।
এ সময় বিভিন্ন অপরাধে ৪৬টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা, নগদ ৯৯ হাজার টাকা জরিমানা ও ৬ জন লাইসেন্সবিহীন চালককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে ডেমরা থানা পুলিশের মাধ্যমে ওই দিনই জেল হাজতে পাঠায় ভ্রাম্যমান আদালত। গ্রেফতারকৃতরা হল-মো. শাহীন (১৯), সাগর(২০), রাজু(২০), মনির(৫০), আলামিত(১৮) রিফাত(২১)।
রামপুরা ট্রাফিক জোনের টি.আই বিপ্লব ভৌমিক বলেন, লাইসেন্স বিহীন অদক্ষ চালক নিরাপদ সড়কের প্রধান অন্তরায়। গাড়ী চালনায় তাদের দক্ষতা ও যোগ্যতা একেবারেই নগন্য। ফলে প্রতিনিয়ত সড়কে তারা ঘটিয়ে যাচ্ছে অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনা। সড়ক পথে দূর্ঘটনা রোধকল্পে রামপুরা ট্রাফিক জোন বারবার ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে যা অব্যাহত থাকবে। মূলত নিরাপদ সড়ক গঠনে আমরা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন বলেন, ট্রাফিক বিভাগের বিশেষ অভিযান শুরু হওয়ায় মামলার সংখ্যা বেড়েছে। মানুষও আগের চেয়ে বেশি সচেতন হয়েছে। তিনি বলেন, মামলাগুলো বেশি হয় ফিটনেসবিহীন গাড়ি, কাগজপত্র সংক্রান্ত সমস্যার কারণে। তবে উল্টো পথে গাড়ি চালানো বা তিনজন আরোহী নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো এখন নেই বললেই চলে।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, নগরীতে বসবাসকারী বা চলাচলকারী যানবাহন মালিকদের মধ্যে ট্রাফিক সচেতনতা বেড়েছে। আগের বছরগুলোয় শহরে মামলা দায়েরের অন্যতম বাহন ছিল মোটরসাইকেল। অনিবন্ধিত বা কাগজপত্র ছাড়াই অনেকে মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় নামত। সাংবাদিক, পুলিশ, ছাত্রলীগ, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশার কথা উল্লেখ করে অথবা সরকারি প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে বছরের পর বছর মোটরসাইকেল চালাত অনেকে। কিন্তু এখন এর সংখ্যা অনেকটাই কমে গেছে।